ভারতের কলকাতাভিত্তিক জাহাজ নির্মাতা গার্ডেন রিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই) ভারতীয় নৌবাহিনীকে আইএনএস আমিনি হস্তান্তর করেছে। নৌবাহিনীর জন্য জিআরএসই যে আটটি অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটার ক্রাফট (এএসডব্লিউ এসডব্লিউসি) তৈরি করছে, এটি তার পঞ্চম। ভারতীয় নৌবাহিনী এক্স-এ জানিয়েছে, ৫ নভেম্বর ২০২৬ তামিলনাড়ুর কাট্টুপাল্লিতে জাহাজটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
লাক্ষাদ্বীপের আমিনি দ্বীপের নামে জাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে। এটি ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর পানিতে ভাসানো হয়েছিল। একই কর্মসূচির আওতায় কোচিন শিপইয়ার্ড আরও আটটি জাহাজ তৈরি করছে; সব মিলিয়ে জাহাজ হবে ১৬টি।
উপকূলীয় পানির জন্য তৈরি
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৭৭.৬ মিটার; ড্রাফট: প্রায় ২.৭ মিটার
- চালনা: মেরিন ডিজেল ইঞ্জিন ও ওয়াটারজেট—উপকূলীয় পানিতে সহজে ঘোরাফেরার জন্য
- অস্ত্র ও সেন্সর: হালকা টর্পেডো, ভারতে তৈরি সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার, আধুনিক সোনার, ৩০ মিলিমিটার কামান ও কমব্যাট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
- দেশীয় উপাদান: ৮০ শতাংশের বেশি; ইন্ডিয়ান রেজিস্টার অব শিপিংয়ের নিয়ম মেনে নির্মিত
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বন্দর ও পোতাশ্রয়ের কাছে অগভীর পানিতে—যেখানে বড় যুদ্ধজাহাজ চলাচলে অসুবিধা হয় কিন্তু সাবমেরিন হুমকি থাকতে পারে—সাবমেরিন-বিধ্বংসী অভিযান, উপকূলীয় নজরদারি ও মাইন স্থাপনের জন্য এসব জাহাজ তৈরি।
জিআরএসই চলতি বছরের শুরুতে জানিয়েছিল, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যেই কর্মসূচিতে তাদের অংশের কাজ শেষ হবে বলে তারা আশা করছে।
মেরিন ইনসাইট (৭ নভেম্বর ২০২৬) ও ভারতীয় নৌবাহিনীর তথ্য অবলম্বনে।




