জাপানে তৈরি প্রথম ৮ হাজার টিইইউর বেশি মিথানলচালিত কনটেইনার জাহাজ মার্স্ক টোকিও

Share

শেয়ার করুন

জাপানের জাহাজ নির্মাতা জাপান মেরিন ইউনাইটেড (জেএমইউ) গত ২৩ জুন ২০২৬ তাদের হিরোশিমার কুরে শিপইয়ার্ড থেকে মিথানল ও প্রচলিত জ্বালানি—দুটোতেই চলতে সক্ষম কনটেইনার জাহাজ মার্স্ক টোকিও হস্তান্তর করেছে। জেএমইউর দাবি, জাপানে নির্মিত ৮ হাজার টিইইউর বেশি ধারণক্ষমতার এটিই প্রথম মিথানল ডুয়েল-ফুয়েল কনটেইনার জাহাজ। জাহাজটির মালিক জাপানের নিসেন কাইউন, এটি সাউদার্ন রুট মেরিটাইমের নামে নিবন্ধিত, পানামার পতাকাবাহী এবং পরিচালনা করছে মার্স্ক।

মূল তথ্য

  • ধারণক্ষমতা: ৮,৯২৮ টিইইউ
  • দৈর্ঘ্য: ২৭৬.৯৪ মিটার; প্রস্থ: ৪৫.৮ মিটার; গভীরতা: ২৪.৪ মিটার; ড্রাফট: ১৫.৫ মিটার
  • ডেডওয়েট: ১,০৮,২৫১ টন; গ্রস টনেজ: ৮৫,২৯৪; ক্রু: ৩০ জন
  • ইঞ্জিন: মিৎসুই-এভারলেন্স বিঅ্যান্ডডব্লিউ ৬জি৮০এমই-সি১০.৫-এলজিআইএম-ইজিআরটিসি, ২৭,৭০০ কিলোওয়াট
  • জ্বালানি: মিথানল অথবা প্রচলিত জ্বালানি তেল
  • ক্লাস: ক্লাসএনকে

সামনের আবাসন ব্লকের নিচে মিথানল ট্যাংক

জাহাজটির আবাসন ব্লক সামনের দিকে আর ইঞ্জিন রুম পেছনে। মিথানল ট্যাংক রাখা হয়েছে সামনের আবাসন ব্লকের নিচে, ফলে প্রচলিত জাহাজের সমান কার্গো ধারণক্ষমতা বজায় থাকছে বলে জানিয়েছে জেএমইউ। এভারলেন্সের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার মিথানলে শক্তি থাকে প্রায় ১৪.৯ মেগাজুল, যেখানে মেরিন গ্যাসঅয়েলে প্রায় ৩৫.৭ মেগাজুল; তাই সমান শক্তির জন্য মিথানল ট্যাংক প্রায় ২.৪ গুণ বড় হতে হয়।

চার স্তরের ল্যাশিং ব্রিজের কারণে ডেকে ১১ স্তর পর্যন্ত কনটেইনার রাখা যায়। জ্বালানি সাশ্রয়ী নকশার কারণে জাহাজটির ইইডিআই আইএমওর রেফারেন্স লাইনের চেয়ে ৬০ শতাংশের বেশি কম, যেখানে বাধ্যবাধকতা ৪০ শতাংশ। এতে নাইট্রোজেন অক্সাইড নিয়ন্ত্রণে এক্সহস্ট গ্যাস রিসার্কুলেশন ও এসসিআর, সালফার নিয়ন্ত্রণে স্ক্রাবার এবং বন্দরে থাকাকালে তীরের বিদ্যুৎ (শোর পাওয়ার) ব্যবহারের ব্যবস্থা রয়েছে।

এশিয়া–দক্ষিণ আমেরিকা রুটে

মার্স্ক জাহাজটি এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিম উপকূলের মধ্যে চালাচ্ছে। এপিএম টার্মিনালস কাইয়াও জানিয়েছে, ২০২৬ সালের আগস্টে পেরুতে জাহাজটি প্রথমবার ভিড়েছে।

বেয়ার্ড মেরিটাইমের ভেসেল রিভিউ অবলম্বনে, ৫ নভেম্বর ২০২৬।

Read more

আরও পড়ুন

Local News

আরও খবর