লোহিত সাগর পাড়ি দিতে হুথিদের কাছে ইমেইলে অনুমতি নিচ্ছে জাহাজ

Share

শেয়ার করুন

লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে চলাচলের আগে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ইয়েমেনের হুথিদের কাছ থেকে ইমেইলে অনুমতি নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে একাধিক সংবাদমাধ্যম। এভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে কার্যত একটি ছাড়পত্র ব্যবস্থা চালু করেছে গোষ্ঠীটি।

প্রক্রিয়াটি কীভাবে চলছে

  • প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বা ক্যাপ্টেনরা ইমেইলে জাহাজের নাম, যাত্রাপথ ও পণ্যের তথ্য পাঠাচ্ছেন হুথিদের গঠিত “হিউম্যানিটারিয়ান অপারেশনস কোঅর্ডিনেশন সেন্টার” (এইচওসিসি)-এ। মেরিন ইনসাইট জানিয়েছে, এই সংস্থাটি ২০২৪ সালে গঠিত হয়।
  • জাহাজটির সাথে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা ইসরায়েলের কোনো সম্পর্ক নেই—এমন নিশ্চয়তা পাওয়ার পর চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয় বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ক্যাপ্টেন ও নাবিকদের বরাতে মেরিন ইনসাইট জানায়, উত্তর সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসে।
  • দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুমতি পাওয়া জাহাজগুলোকে যাত্রাপথে অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) সবসময় চালু রাখতে বলা হচ্ছে।

কেন এখন

মেরিন ইনসাইটের তথ্যমতে, সাধারণত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্কহীন জাহাজগুলোকে এইচওসিসির সাথে যোগাযোগ করতে হতো না। কিন্তু চলতি বছর হুথিরা সৌদি আরবের বন্দরগুলোতে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর থেকে হামলা এড়াতে শিপিং কোম্পানিগুলো আগেভাগেই ছাড়পত্র নিচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে একটি চীনা কনটেইনার জাহাজের ক্যাপ্টেনের ইমেইলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তিনি জাহাজটি চীনা মালিকানাধীন ও চীনা নাবিক পরিচালিত বলে নিশ্চয়তা দেন এবং অনুমতি পান।

নিরাপত্তা সংকটের কারণে অনেক বড় শিপিং কোম্পানি দীর্ঘদিন ধরে সুয়েজ খাল এড়িয়ে আফ্রিকার কেপ অব গুড হোপ ঘুরে চলাচল করছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, ৭ নভেম্বর ২০২৬; মেরিন ইনসাইট-এর প্রতিবেদন অবলম্বনে, ৭ নভেম্বর ২০২৬।

Read more

আরও পড়ুন

Local News

আরও খবর